ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে বলেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আসামি তাঁর পলাতক সহযোগীর অবস্থান এবং জাল টাকার উৎস নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য এড়িয়ে গেছেন। তবে মামলার ঘটনা সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা তদন্তে সহায়ক হবে। তদন্তের স্বার্থে পরবর্তী সময়ে তাঁকে আবার রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
আবেদনে আরও বলা হয়, আসামি রুবেল একজন পেশাদার জাল নোট চক্রের সদস্য। তাঁর বিরুদ্ধে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় জাল নোট তৈরি, প্রতারণা, মানি লন্ডারিং ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে অন্তত ১৬টি মামলা রয়েছে। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে কারাগারে আটকে রাখা প্রয়োজন। জামিন পেলে তিনি পলাতক হতে পারেন এবং মামলার তদন্ত ব্যাহত হতে পারে।

