জীবনের মঞ্চে রামেন্দু মজুমদারের ৮৫ বছর

সবশেষে নিজের কথা বলতে এলেন রামেন্দু মজুমদার। শুরুতেই স্মরণ করলেন মা–বাবাকে। বাবার উদারনৈতিক চরিত্র কীভাবে তাঁর হৃদয়কে প্রসারিত করেছে, বললেন সে কথা। শ্রদ্ধা জানালেন মায়ের মমতার প্রতিও। এরপর স্ত্রী ও কন্যার কথা বলতে গিয়ে প্রকাশ করলেন নিজের পরিতৃপ্তি ও গর্ব।

তবে তাঁর বক্তব্য মূলত হয়ে উঠল কৃতজ্ঞতার এক দীর্ঘ তালিকা। জীবনের চলার পথে বিচিত্র পেশা ও পরিচয়ের যেসব মানুষের সাহচর্য, সহায়তা, স্নেহ, প্রেরণা, সাহস, শিক্ষা ও বন্ধুত্ব পেয়েছেন, তাঁদের অনেকের নামই তিনি স্মরণ করলেন। তালিকাটি ছিল দীর্ঘ। শুধু নাম উচ্চারণ করেই থামেননি; তাঁদের নানা গুণের কথা বলেছেন, বলেছেন তাঁদের সঙ্গে কাটানো সময়ের দ্যুতিময় স্মৃতির কথাও। তাঁর মার্জিত, কখনো কখনো সরস বর্ণনায় সেই স্মৃতিগুলো যেন শ্রোতাদের চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে উঠেছিল।

সবশেষে বললেন তাঁর স্বপ্নের সমাজের কথা—একটি সহনশীল, উদার, ঘৃণা ও বিদ্বেষমুক্ত মানবিক সমাজ। যে সমাজের প্রত্যাশা তিনি সারা জীবন নিজের কাজ ও ভাবনায় ধারণ করেছেন। কথা শেষ করলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে স্মরণ করে, ‘মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক, আমি তোমাদেরই লোক।’

অনুষ্ঠান শেষও হয়েছিল ছায়া কর্মকারের পরিবেশনায় কবিগুরুর ‘প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে মোরে আরও আরও দাও প্রাণ’ গানটি দিয়ে।

Scroll to Top