জেটিবিসির প্রতিবেদনে মূলত ২০১৬ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের একটি তদন্তের কথা তুলে ধরা হয়। সেই তদন্তে দেখা গিয়েছিল, ২০১১ সালের মার্চ থেকে ২০১২ সালের মার্চ মাসের মধ্যে বেশ কয়েকবার বিদেশি রেফারিদের ‘অযাচিত বিনোদন’ দিয়েছিল কেএফএ। এর মধ্যে তাদের ম্যাসাজ পারলারে নিয়ে যাওয়ার খরচও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে অনৈতিক সেবা যুক্ত ছিল।


