ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থী ইসরাত জাহানের বাবা ইমামুল হক জানান, তাঁর মেয়েসহ আটজনের কাছ থেকে ফরম পূরণের টাকা নিয়েছিলেন কলেজের অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকার। কিন্তু তিনি বোর্ডে টাকা জমা না দেওয়ায় আটজনের প্রবেশপত্র আসেনি। এ জন্য তারা প্রথম দিনের বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা দিতে পারেনি। বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীর নজরে এলে তাঁর হস্তক্ষেপে শিক্ষার্থীদের পরের পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেওয়ার ব্যবস্থা করে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
ইমামুল হক প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল মঙ্গলবার লিখিত পরীক্ষা শেষ হলেও এখন পর্যন্ত বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষার ব্যাপারে কোনো তথ্য কলেজ বা বোর্ড কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার্থীদের জানায়নি। আদৌ পরীক্ষা হবে কি না, হলে কবে কীভাবে হবে, সে ব্যাপারে পরীক্ষার্থীরা কিছুই জানে না। এমতাবস্থায় তাঁরা শিক্ষার্থীদের ফলাফল নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন।



