এর সমাধানের একটি অন্যতম পথ হতে পারে রিফার্বিশড ডিভাইস। পুরোনো ল্যাপটপ মেরামত করে বাজারে আনলে নতুন ল্যাপটপের তুলনায় প্রায় ৮৫ শতাংশ কম কার্বন খরচ হয়। কারণ মাদারবোর্ড, চেসিস ও স্ক্রিনের মতো সবচেয়ে ভারী অংশগুলো এ ক্ষেত্রে নতুন করে বানাতে হয় না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, দক্ষিণ এশিয়ায় রিফার্বিশড মার্কেট এখনো সেভাবে শক্ত অবস্থানে দাঁড়াতে পারেনি। কারণ, এসব ডিভাইসে সাধারণত ওয়ারেন্টি থাকে না, ব্যাটারির স্বাস্থ্য নিয়েও একধরনের অনিশ্চয়তা থেকে যায়; সর্বোপরি পুরোনো মাল নিয়ে মানুষের মধ্যে একধরনের সামাজিক দ্বিধাও কাজ করে।
ডিভাইসের আয়ু বাড়ানোটাও একটি ভালো সমাধান হতে পারে। একটি ল্যাপটপ তিন বছরের বদলে ছয় বছর ব্যবহার করলে বছরপ্রতি নির্গমনের ভাগ কমে অর্ধেকে নেমে আসে। কিন্তু সফটওয়্যার আপডেট, ব্যাটারির ক্ষয় এবং নতুন মডেল কেনার তাগিদ; সব মিলিয়ে প্রায়ই ডিভাইসের কার্যকর আয়ু কমে যায়।


