বরগুনার তালতলী উপজেলার একটি রাখাইন গ্রামের নাম ছিল জোজিতংব মানে ঋষির টিলা। গ্রামটি রাখাইনশূন্য হওয়ার পর বর্তমানে এর নাম হয়েছে ‘জাকিরতবক’। ডংকুপাড়ার নাম রসুলপুর, কালাচানপাড়ার নাম আলীপুর, ফ্যাথিপাড়ার নাম ফাঁসিপাড়া, পুনামাপাড়ার নাম ইসলামপুর। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় হ্যুইছেনপাড়ার নাম হয়েছে হোসেনপাড়া।
কলাপাড়ার ধুলাসর ইউনিয়নের অংতেও রোওয়ার নাম এখন অনন্তপাড়া, কলাপাড়ার মেংলা তৌখা রোওয়ার নাম এখন মঙ্গলসুখ। একই ইউনিয়নের বৈতুলী গ্রামের বর্তমান নাম বলতুলী। কোনো খেলায় অনেকগুলো দল থাকলে যে দল আগে খেলার সুযোগ পায়, রাখাইন ভাষায় তাদের বৈতুলী বলে। একসময় এখানে বিখ্যাত রাখাইন খেলোয়াড়দের বসবাস ছিল।
দো-কাসীপাড়ার নাম এখন দোভাষীপাড়া। দো-কাসী মানে দাদুর নামে যে পাড়া। রাখাইন ভাষায় খ্রা মানে ছয় এবং রা মানে শতক। জমির দাম ৬০০ বলে নাম রাখা হয়েছিল খ্রাওরাদান রোওয়া, পরে নাম হয়েছিল ছয়ানিপাড়া। বর্তমানে গ্রামটি নেই, পায়রা বন্দরের জমি অধিগ্রহণের কারণে খুন হয়েছে।


