বর্ষাকালে দেয়ালে আর্দ্রতা, ছত্রাক, নোনা ধরা বা রং খসে পড়ার মতো সমস্যা প্রায়ই দেখা দেয়। তাই দেয়ালের সুরক্ষায় এখন শুধু পছন্দের শেড বেছে নেওয়াই যথেষ্ট নয়; বরং অ্যান্টিফাঙ্গাল, ওয়াটার ও অ্যালকালি রেজিস্ট্যান্স প্রযুক্তির রং ব্যবহার করা জরুরি। পাশাপাশি মেঘলা দিনে ঘরের উজ্জ্বলতা বাড়াতে অফ-হোয়াইট বা হালকা শেডের সঙ্গে সিল্ক বা এগশেল ফিনিশের রঙের ব্যবহার বাড়ছে।
ক্রেতাদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে কোম্পানিগুলো এখন বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর পেইন্ট তৈরি করছে।
দুর্গন্ধমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব: লো বা জিরো ভিওসি পেইন্টে ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান কম থাকায় দুর্গন্ধ হয় না এবং ঘরের বায়ুর মান ভালো থাকে।
তাপ-প্রতিফলক (কুলিং): এই প্রযুক্তির রং সূর্যের তাপ প্রতিফলিত করে ঘরের তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমাতে পারে।
পরিষ্কারযোগ্য ও জীবাণুরোধী: ওয়াশেবল বা দাগ-প্রতিরোধী রঙের সুবিধা হলো সাবান-পানি দিয়ে দেয়ালের সাধারণ দাগ সহজেই মুছে ফেলা যায়। এ ছাড়া অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল রং দেয়ালে ক্ষতিকর জীবাণুর বিস্তার রোধ করে।


