মাদ্রাসার আবাসিক হলের পাশে পড়ে ছিল ছাত্রের লাশ, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

মাদ্রাসার আবাসিক হলের পাশে পড়ে ছিল ছাত্রের লাশ, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

স্থানীয় বাসিন্দা বেলাল হোসেন বলেন, ‘আমার বাড়ি এতিমখানা ভবনসংলগ্ন। সকালবেলা আমার স্ত্রী বাড়ি থেকে বের হয়েই মাদ্রাসার মূল গেট থেকে কয়েক গজ উত্তরে ওই ছাত্রের লাশ দেখতে পায়। পরে শোরগোল শুনে সেখানে মানুষজন জড়ো হয়ে যায়। এরপর পুলিশ এসে লাশটা উদ্ধার করে নিয়ে গেল। মাদ্রাসার ছাত্র, শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।’

নামাজগড় গাউসুল আজম আলিম মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও এতিমখানা আবাসিক হলের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ বলে, এতিমখানার নিয়ম হলো, রাত ১০টার মধ্যে আবাসিক হলে ঢুকতে হবে। এরপর যে ঢুকবে, তাকে শাস্তি পেতে হয়। অনেক সময় মারধরও করা হয়। নীরব রাতে নাকি ওর চাচার বাড়িতে ভাত খেয়ে আসার পথে মাদ্রাসাপাড়ায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচগান দেখতে গিয়েছিল। সেখানে তাকে অন্য শিক্ষার্থীরা দেখেছে। অন্য শিক্ষার্থীরা রাত ১০টার দিকে গেট বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগেই আবাসিক ভবনে ঢুকলেও নীরব ফিরে আসেনি। এরপর সকালে ভবনের পাশে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

Scroll to Top