মার্কিন ডলারের বিপরীতে জাপানি ইয়েনের দর প্রায় চার দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) নিউইয়র্ক শেয়ারবাজারে লেনদেনের সময় স্বল্প সময়ের জন্য ইয়েনের দর ১ ডলারের বিপরীতে ১৬১ দশমিক ৯৩ ইয়েনে নেমে আসে, যা ২০২৪ সালের একটি দুর্বল অবস্থার সমান।
বিশ্লেষকদের মতে, চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আবারও বাড়াতে পারে—এমন জল্পনা বাজারে ডলার কেনার প্রবণতা বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে তেলের উচ্চমূল্যের কারণে মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি পুনরায় বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কাও ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি করেছে।
পরবর্তীতে লেনদেনে কিছুটা পুনরুদ্ধার দেখা যায়। জাপানের অর্থমন্ত্রী কাতাইয়ামা সাৎসুকি এবং যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের মধ্যে আলোচনার খবরের পর ইয়েন কিছুটা শক্তিশালী হয়। এতে জাপানি কর্তৃপক্ষের সম্ভাব্য মুদ্রা হস্তক্ষেপ নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়। টোকিওতে মঙ্গলবার সকালে ডলারের বিপরীতে ইয়েনের দর ১৬১-এর মাঝামাঝি স্তরে ওঠানামা করে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিপুল পরিমাণ ডলার কেনাবেচার চাপের মধ্যে ইয়েনকে স্থিতিশীল করতে সম্ভাব্য হস্তক্ষেপ কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে ১৯৮৬ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় বাজারে সতর্কতা বাড়ছে।




