শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ এলাকার ২৭ টি নৃ-গোষ্ঠী তাদের জীবন ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে একমঞ্চে হাজির ছিলো সবাই। ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল’ শুধু সাংস্কৃতিক আয়োজনই নয়, সম্প্রীতি, সহাবস্থান এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক অনন্য মিলনমেলা হয়ে উঠেছে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল’ শেষ হয়।
উৎসবের উদ্বোধন করতে গিয়ে পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি বলেন, ‘আমি আশাবাদী এই হারমোনি ফেস্টিভ্যাল একদিন আন্তর্জাতিকভাবে জায়গা করে নেবে। বিদেশ থেকেও যেন পর্যটকেরা এসে দেখতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করব। আমরা ট্যুরিজম বোর্ডের মাধ্যমে মাস্টারপ্ল্যান করছি, এই প্ল্যানে সিলেটও আছে।’
গত তিনদিন বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত চলেছে উৎসব। এখানে স্থানীয় বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিভিন্ন উপকরণের প্রদর্শণী ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করতে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড-এর উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মতো মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে তিনদিনের ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল’ আয়োজন করে। সহযোগিতা করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসন। উৎসবে শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জে বসবাসরত খাসিয়া, গারো, মণিপুরী, ত্রিপুরা, শবর, খাড়িয়া, রিকিয়াসন, বারাইক, কন্দ, রাজবল্বব, ভূঁইয়া, সাঁওতাল, ওরাও, গড়াইত, মুন্ডা, কুর্মী, ভুমিজ, বুনারাজি, লোহার, গঞ্জু, কড়া জনগোষ্ঠী অংশ নিয়েছেন।




