বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ শিক্ষাবিদদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল পাকিস্তানের পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় (পিইউ) সফর করেছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ের কমিটি কক্ষে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেহমুদ সেলিমের সঙ্গে প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১৫ সদস্যের এই প্রতিনিধিদলে ছিলেন ইউজিসি বাংলাদেশের অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আয়ুব ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামসাদ মোর্তুজা, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আর. কবিরসহ অন্যান্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ।
এ সময় পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সটার্নাল লিংকেজেস বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. ইয়ামিনা সালমান, পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা কমিশনের প্রকল্প পরিচালক সাইমা নওরিন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে একাডেমিক সম্পর্ক আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তারা পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়কে অঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিদর্শনের সুযোগ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
প্রতিনিধিরা দুই দেশের মধ্যে যৌথ গবেষণা, একাডেমিক অংশীদারত্ব, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা উচ্চশিক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অধ্যাপক ড. মেহমুদ সেলিম বলেন, শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একাডেমিক সহযোগিতা এবং বিনিময় কর্মসূচিকে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় আন্তরিকভাবে স্বাগত জানায়। তিনি প্রতিনিধিদলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক সাফল্য, গবেষণা কার্যক্রম এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প সম্পর্কে অবহিত করেন।
এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গভীর করা। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ আঞ্চলিক একাডেমিক সহযোগিতা ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বৈঠক শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সৌজন্য স্মারক বিনিময় করা হয়।



