
ওয়াশিংটন, ১৭ জুন – ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বিদায়ের রাগিণী এখনও বাজেনি বরং নতুন এক রূপকথা লিখতে প্রস্তুত হচ্ছেন তিনি। বয়স ও সমালোচকদের সব সংশয় উড়িয়ে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় আয়োজিত বিশ্বকাপে পর্তুগালের হয়ে নতুন ইতিহাস গড়ার মিশনে নামছেন এই মহাতারকা।
আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় হিউস্টনে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর মুখোমুখি হবে পর্তুগাল। পর্তুগালের এই শক্তিশালী দলে পাদপ্রদীপের আলোয় থাকছেন অধিনায়ক রোনালদোই। এই ম্যাচে গোল পেলে তিনি টানা ষষ্ঠ বিশ্বকাপে গোল করার এক অভূতপূর্ব নজির স্থাপন করবেন।
ফুটবল ইতিহাসের পাতায় নিজের নামটিকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে মুখিয়ে আছেন তিনি। দুই দশকেরও বেশি সময়ের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে এটি তার শেষ বিশ্বকাপ অভিযাত্রা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে পর্তুগালের সর্বোচ্চ সাফল্য ১৯৬৬ সালে তৃতীয় স্থান অর্জন।
এরপর ২০০৬ সালে তারা সেমিফাইনালে খেলেছিল। তবে ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ও উয়েফা নেশনস লিগ জয়ের পর তারা এখন বিশ্বসেরার লড়াইয়ে অন্যতম দাবিদার। বর্তমান দলে ভিতিনিয়া, জোয়াও নেভেস, নুনো মেন্দেস ও ব্রুনো ফার্নান্দেসের মতো তারকারা রয়েছেন যারা ক্লাব ফুটবলে দুর্দান্ত সময় কাটাচ্ছেন।
বিপরীত দিকে আফ্রিকা অঞ্চল থেকে দীর্ঘ ৫২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বকাপে ফিরেছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। ১৯৭৪ সালের পর এবারই প্রথম বিশ্বমঞ্চে দেখা যাবে তাদের। কঙ্গো দলে রয়েছেন অ্যারন ওয়ান বিসাকা, অ্যাক্সেল তুয়ানজেবে, ইয়োয়ান উইসা ও সেড্রিক বাকাম্বুর মতো ফুটবলাররা যারা ইউরোপের শীর্ষ লিগে নিয়মিত খেলেন।
অভিজ্ঞতা ও শক্তির বিচারে পর্তুগাল এগিয়ে থাকলেও কঙ্গোর লড়াকু মনোভাব চমক দেখাতে পারে। পর্তুগালের সম্ভাব্য একাদশে গোলরক্ষক হিসেবে দিয়োগো কস্তা এবং রক্ষণভাগে জোয়াও ক্যানসেলো ও রুবেন দিয়াসের থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
মাঝমাঠে ব্রুনো ফার্নান্দেসের সঙ্গে ভিতিনিয়া ও নেভেস দলের প্রাণভোমরা হতে পারেন। আক্রমণে বার্নার্দো সিলভা ও পেদ্রো নেতো সঙ্গ দেবেন রোনালদোকে। অন্যদিকে কঙ্গোর হয়ে লিওনেল এমপাসি এবং চ্যান্সেল এমবেম্বারা রক্ষণ সামলাবেন।
এস এম/ ১৭ জুন ২০২৬






