ট্রাম্পের পদক্ষেপে ‘চোখ–কান’ হারাচ্ছে সমুদ্র গবেষণা

ট্রাম্পের পদক্ষেপে ‘চোখ–কান’ হারাচ্ছে সমুদ্র গবেষণা

স্পাইক আরও বলেন, সমুদ্রের গভীরতা অনুযায়ী তাপমাত্রার যে মাপজোখ নেওয়া হয়, তা তথ্য সংগ্রহের সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিগুলোর একটি। এই তথ্যগুলো হারালে শুধু সমুদ্রের উষ্ণতা বৃদ্ধির হিসাবই হারাবে না, বরং পুরো জলবায়ু–ব্যবস্থায় নজরদারির সক্ষমতা হারাবে। কারণ, এই পর্যবেক্ষণ থামিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ সূচক আর পাওয়া যাবে না।

স্পাইক বলেন, ‘পূর্বাভাস দেওয়ার কাজ হয়তো চলবে। তবে এর মান কমে যাবে, যা কখনো কখনো বিপদের কারণ হতে পারে। শুধু বায়ুমণ্ডলের পর্যবেক্ষণ যথেষ্ট নয়। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়, ঘূর্ণিঝড় এবং এল নিনোর আগাম সতর্কতাব্যবস্থার মূল ভিত্তিই হলো সমুদ্রের ডেটা।’

স্পাইক আরও বলেন, ‘এর পরিণতি শুধু বিজ্ঞানের জগতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। যুক্তরাষ্ট্রের নিজেদেরই বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে। কৃষি খাত থেকে শুরু করে বিমা প্রতিষ্ঠান ও দুর্যোগ মোকাবিলা খাত—সব জায়গাতেই এই প্রভাব পড়বে।’

স্পাইক সতর্ক করে বলেন, যে বছর এল নিনো এবং চরম আবহাওয়ার পূর্বাভাস থাকে, সে বছর যুক্তরাষ্ট্রের এই তথ্যগুলো না থাকলে দুর্যোগের আগাম পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে না। ফলে সময়মতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতাও হারাবে বিশ্ব। এর বাস্তব ঝুঁকি একেবারেই স্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্র এবং পুরো দক্ষিণ আমেরিকার কৃষকেরা এল নিনোর পূর্বাভাসের ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেন কখন কোন ফসল বুনতে হবে। খরা নাকি বন্যা হতে পারে, সেই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই মাসখানেক আগে সব কৃষিকাজের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Scroll to Top