দেশের ১১ জেলার ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সম্ভাব্য বৈরী আবহাওয়ার কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর পুনঃ সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) সকাল ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া বিশেষ আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিরাজ করছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ইতিমধ্যে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে মৌসুমি বায়ু সারা দেশে বিস্তার লাভের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু স্থানে দমকা হাওয়া, বজ্রপাত ও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে। এর ফলে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে সিলেট বিভাগে তুলনামূলক বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণেরও আশঙ্কা রয়েছে।
শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ সময় তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনে দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসুমি বায়ুর বিস্তারের সঙ্গে দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির কার্যক্রম আরও জোরদার হতে পারে।




