সরকার ও বিএনপির নীতিনির্ধারক পর্যায়ের একাধিক সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিক সেবা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে প্রশাসক ও সচিবদের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হলেও এটি তাঁদের মূল দায়িত্ব নয়। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে কাজ করতে গিয়ে সেবার মানে ঘাটতি তৈরি হচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আগের আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অনুষ্ঠিত বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধিদের অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। ফলে স্থানীয় সরকারের বেশির ভাগ স্তর এখন কার্যত জনপ্রতিনিধিশূন্য। অনেক সাবেক জনপ্রতিনিধি এখনো পলাতক রয়েছেন।
এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতি থাকলেও বিএনপির ভেতরে কিছু কৌশলগত উদ্বেগ স্পষ্ট। দলটির নীতিনির্ধারকেরা বলছেন, প্রধান দুটি চ্যালেঞ্জ হলো—একক প্রার্থী নিশ্চিত করা এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে দলীয় ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখা।



