স্বপ্নপূরণের ‘শেষ’ সুযোগ পাচ্ছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ২০২৬ বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলকে বিদায় জানাতে পারেন ৪১ বর্ষী মহাতারকা। ক্যারিয়ারের এবেলায় লক্ষ্য একটাই, বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফি উঁচিয়ে ধরা। পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ীকে রেখে সেই লক্ষ্যে এগোতে মঙ্গলবার ২৬ সদস্যের বিশ্বকাপ জানাল পর্তুগাল ফেডারেশন।
২০০৬ সালে প্রথম বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে পৌঁছানো এপর্যন্ত রোনালদোর সর্বোচ্চ বিশ্বমঞ্চ সাফল্য। আর কখনও কোয়ার্টার ফাইনালের গণ্ডি পেরোতে পারেননি। নকআউট পর্বে তার গোলসংখ্যাও কেবল একটি, যা প্রতিযোগিতায় তার সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরে।
এবার রেকর্ড ষষ্ঠবার বিশ্বকাপে খেলবেন রোনালদো। কোনো ফুটবলারের এই কীর্তি নেই। তবে লিওনেল মেসি যদি আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দলে থাকেন, তিনিও ষষ্ঠ বিশ্বকাপে যাবেন। তবে ইতিমধ্যেই তার হাতে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের শিরোপা উঠেছে।
রোনালদোর পাশাপাশি ব্রুনো ফের্নান্দেজকে এবার মূল তারকা ধরা হচ্ছে পর্তুগালের। পিএসজির ভিতিনহা ও জোয়াও নেভেসের মধ্যমাঠ এবং নুনো মেন্ডেসের ফর্ম পর্তুগালের শক্তির ভরকেন্দ্র। নজর থাকবে জোয়াও ফেলিক্স ও রাফায়েল লিওর পারফরম্যান্সের দিকে।
পর্তুগাল বিশ্বকাপ দল
কোচ: রবের্তো মার্টিনেজ
গোলরক্ষক: ডিয়োগো কস্তা, হোসে সা, রুই সিলভা, রিকার্ডো ভেলহো।
ডিফেন্ডার: ডিয়েগো ডালট, ম্যাথিউস নুনেস, নেলসন সেমেডো, জোয়াও ক্যানসেলো, নুনো মেন্ডেস, গনসালো ইনাসিও, রেনাতো ভেইগা, রুবেন ডিয়াস, টমাস আরাজউ।
মিডফিল্ডার: রুবেন নেভেস, জোয়াও নেভেস, ভিতিনহা, ব্রুনো ফের্নান্দেজ, বের্নার্দো সিলভা, জোয়াও ফেলিক্স, ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও, ফ্রান্সিসকো কনসেসাও।
ফরোয়ার্ড: পেদ্রো নেতো, রাফায়েল লিও, গনসালো গুয়েদেস, গনসালো রামোস, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।






