সহিংসতা-উত্তর রাষ্ট্রে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও ইনসাফের প্রশ্ন

সহিংসতা-উত্তর রাষ্ট্রে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও   ইনসাফের প্রশ্ন

কিন্তু টিআইবি তখন জানিয়েছিল, এই কমিশন অধ্যাদেশ ‘গণ-আকাঙ্ক্ষার প্রতি উপহাস, অর্থহীন ও আত্মঘাতী’। তাদের মতে, ‘এ অধ্যাদেশ পুলিশের পেশাদারত্ব ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পরিবর্তে পুলিশ বাহিনীর ওপর প্রশাসনিক ও পুলিশি আমলাতন্ত্র, বিশেষ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ আরও গভীরতর করবে।’ (প্রথম আলো, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫)

ভালো-মন্দ মিলিয়ে যে কমিশনের অধ্যাদেশ হয়েছিল, সেটাও আলোর মুখ দেখেনি। নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার এই অধ্যাদেশকে সংসদে উত্থাপনই করেনি, ফলে অধ্যাদেশটির কার্যকারিতা লোপ পেয়েছে।

একইভাবে দেখা যাচ্ছে, যে ধরনের উদ্যোগ বা সংস্কার রাষ্ট্রপ্রণোদিত সহিংসতা রোধ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জবাবদিহির অধীনে নিয়ে আসার জন্য দরকার ছিল, তার কোনোটাই সংসদে পাস করা হয়নি। যেমন গুম, মানবাধিকার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা–সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলোর কোনোটাই সংসদে পাস করা হয়নি; বরং গুম ও মানবাধিকার কমিশন নিয়ে যে ধরনের যুক্তি ও ভাষ্য সংসদ ও সংসদের বাইরে সরকারি দলের নেতারা দিয়েছেন, সেটা দুঃখজনকই বটে।

Scroll to Top