বোলিং আক্রমণে পাকিস্তান সর্বদাই এগিয়ে থাকে। একাধিক বিশ্বমানের বোলার দলটিতে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশও বোলিংয়ে অনেক উন্নতি করেছে। তাসকিন আহমেদ-নাহিদ রানাদের নিয়ে বোলিং ইউনিট, আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্সও। তার মতে, আসন্ন সিরিজে বোলিং আক্রমণে কেউ কারও থেকে এগিয়ে নয়।
শুক্রবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গড়াবে ডাচ-বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশ-পাকিস্তান দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। বুধবার সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন সিমন্স।
দুদলের বোলিং আক্রমণ নিয়ে টাইগারদের কোচ বললেন, ‘মনে করি না কোন একটি দল বেশি ভালো অবস্থানে আছে। মনে হয় এই টেস্টে দুটি ভালো ফাস্ট বোলিং ইউনিট লড়াই করছে। আরও মনে করি দুটি দলেরই স্পিন ইউনিট বেশ ভালো। বিষয়টি হল, কারা টেস্টের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো দখল করতে পারে। প্রতিটি সেশনে এমনকিছু মুহূর্ত থাকে যা জিততে হয়। যে দল প্রতিটি সেশনের সেই মুহূর্তগুলো জিততে পারবে, তারা দিনশেষে সফল হবে।’
সিমন্স ব্যাটারদের পারফরম্যান্স এবং বড় সংগ্রহ গড়ার মানসিকতায় বেশ জোর দিয়েছেন। বলেছেন, ‘কন্ডিশন বলতে কী বোঝাচ্ছেন জানি না। এটি একটি ভালো ক্রিকেট উইকেট হতে চলেছে। তাদের বিপক্ষে আমরা কীভাবে ব্যাটিং করবো তা আমাদের ঠিক করতে হবে।’
‘র্যাঙ্কিংয়ে উপরে উঠতে চাইলে এধরনের বিশ্বমানের বোলারদের বিপক্ষে খেলতে হবে। আমরা একটি দল হিসেবে জানি যে, তাদের বিপক্ষে আমাদের দীর্ঘসময় ব্যাটিং করতে হবে এবং বড় সংগ্রহ গড়ার চেষ্টা করতে হবে। সবাই এখন বড় সংগ্রহ গড়ার মানসিকতায় আছে, যা একটি ভালো দিক।’
ঐতিহ্যগতভাবে পাকিস্তান সবসময় ভালো ফাস্ট বোলার তৈরি করেছে। আসন্ন সিরিজে ঘাসের উইকেটে তাদের বিপক্ষে খেলার সম্ভাবনাই বেশি। এমন কন্ডিশনে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ টাইগার ব্যাটারদের দেয়ার সুযোগ কাজে লাগানোই আসল কাজ।
আপাতদৃষ্টিতে পিচ ফাস্ট বোলারদের মতো স্পিনারদের জন্য অতটা সহায়ক নয়। এটি তাদের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং সময় হবে, সেটি মেনে নিলেও কৌশলে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার কথা বললেন সিমন্স।
‘চ্যালেঞ্জিং সময় মানেই হল, খেলার মান বাড়াতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে ভালো উইকেটে কী করবেন সেটা জানেন। সব দলই এদিকে যেতে চায়। কারণ আরও ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই আমরা। চাই যখন সাউথ আফ্রিকায় যাবো, আমাদের স্পিনাররা যেন সেখানে ভালো উইকেটে বল করতে পারে। ছেলেরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করছে এবং এধরনের ভালো উইকেটে খেলার জন্য নিজেদের কৌশলে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনছে।’




