চুক্তি অনুযায়ী অবনমনের কারণে খেলোয়াড়দের বেতন কিছুটা কমলেও চলতি মৌসুমে চ্যাম্পিয়নশিপে সবচেয়ে বেশি বেতন পাওয়া ফুটবলারদের তালিকায় ছিলেন লেস্টারের বেশ কয়েকজন। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে অস্ট্রেলীয় বিনিয়োগ ব্যাংক ‘ম্যাককুয়ারি’ থেকে নেওয়া ঋণের বোঝা। গত জানুয়ারিতে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত প্রাপ্য সব ‘প্যারাশুট পেমেন্ট’ও (অবনমন হওয়া ক্লাবের জন্য বিশেষ বরাদ্দ) ঋণের বিপরীতে অগ্রিম তুলে নিয়েছে তারা।
ক্লাবমালিক ‘টপ’ এর আগে কয়েক শ মিলিয়ন পাউন্ডের ঋণ মওকুফ করেছিলেন। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, ভবিষ্যতের আয়ের বিপরীতে ম্যাককুয়ারি থেকে প্রচুর অগ্রিম অর্থ নিয়ে ফেলেছে ক্লাবটি। লিগ ওয়ানে (তৃতীয় স্তর) টেলিভিশন স্বত্ব থেকে আয় অনেক কমবে, ফলে ঋণের বিপরীতে গ্যারান্টি দেওয়ার মতো পুঁজিও একসময় ফুরিয়ে আসবে লেস্টারের।
আগামী মৌসুম থেকে লিগ ওয়ানের ক্লাবগুলো তাদের আয়ের মাত্র ৬০ শতাংশ ফুটবলারদের পেছনে খরচ করতে পারবে। কিন্তু লিগ ওয়ানের মানদণ্ডে লেস্টারের অনেক ফুটবলারের বেতন আকাশচুম্বী। ফলে এই নতুন নিয়মের অধীনে ক্লাব পরিচালনা করা লেস্টারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।



