অথচ জায়েদ ক্রীতদাস হিসেবে এসেছিলেন নবীজির সংসারে। জায়েদের ছেলে ওসামাকেও তিনি খুব আদর করতেন। মনে হতো নাতি হাসান ও হুসাইনের মতোই আপন।
নবীজি অধীনস্থ শ্রমিক-কর্মচারীদের আপনজনের সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের আপনজন ও আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে যেমন ব্যবহার করো, তাদের সঙ্গে অনুরূপ ব্যবহার করবে।’
আরেক হাদিসে উল্লেখ করেছেন এভাবে, ‘তারা (শ্রমিক, অধীনস্থ বা ক্রীতদাস) হচ্ছে তোমাদের ভাই, সুতরাং তাদের সঙ্গে সদয় ব্যবহার কর। তোমাদের একার পক্ষে যে কাজ করা অসম্ভব, তাতে তাদের সাহায্য গ্রহণ কর; আবার তাদের একার পক্ষে যে কাজ করা অসম্ভব, তাতে তোমরাও তাদেরকে সাহায্য করো।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস: ১৯০)
তিনি এমনও বলেছেন, ‘কর্মচারীকে তার কাজে সাহায্য করবে। কেননা, আল্লাহর কর্মচারী ব্যর্থ হয় না।’ (আদাবুল মুফরাদ, হাদিস: ১৯১)
আয়েশা (রা.) বলেন, ‘আমি আল্লাহর রাসুলকে বলতে শুনেছি, “হে আল্লাহ, যে ব্যক্তি আমার উম্মতের যে কোনো পর্যায়ের কর্তৃত্ব লাভ করে তাদের সঙ্গে কোমল হয়, আপনিও তার প্রতি কোমল হোন। আর যে ব্যক্তি আমার উম্মতের কর্তৃত্ব পেয়ে তাদের সঙ্গে কঠোর হয়, আপনিও তার সঙ্গে কঠোর হোন।”’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৮২৮)



