ইরানের শাহেদ ড্রোন মার্কিন প্রতিরক্ষার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ: পেন্টাগন – DesheBideshe

ইরানের শাহেদ ড্রোন মার্কিন প্রতিরক্ষার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ: পেন্টাগন – DesheBideshe

ইরানের শাহেদ ড্রোন মার্কিন প্রতিরক্ষার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ: পেন্টাগন – DesheBideshe

ক্যাপিটল হিল, ৫ মার্চ – ক্যাপিটল হিলে আয়োজিত এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হয়তো এই ড্রোনের সবগুলোকে সফলভাবে প্রতিহত করতে সক্ষম হবে না। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ জেনারেল ড্যান কেইন উল্লেখ করেছেন যে এই ড্রোনগুলো অত্যন্ত নিচু উচ্চতায় এবং ধীরগতিতে ওড়ে।

ফলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় এগুলো সহজেই রাডারের চোখ এড়িয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে পারে। কর্মকর্তারা আরও জানান যে যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় মিত্রদের সহায়তায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন বিধ্বংসী ইন্টারসেপ্টরের মজুদ বাড়ানোর জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা ইরানে সামরিক অভিযানের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দিয়েছেন। তাঁদের মতে অভিযানের প্রধান লক্ষ্য হলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এবং নৌবাহিনীসহ পারমাণবিক অস্ত্র প্রকল্প ধ্বংস করা।

একইসাথে তেহরানের মিত্র সশস্ত্র বাহিনীগুলোকে অস্ত্র সরবরাহের পথ রুদ্ধ করাও এই অভিযানের অংশ। তবে ইরানের শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন বা সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন এই হামলার লক্ষ্য নয় বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। আইনপ্রণেতাদের প্রশ্নের জবাবে জানানো হয়েছে যে বর্তমান সামরিক অভিযান কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। তবে এর সুনির্দিষ্ট কোনো সমাপ্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।

কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া পরিচালিত এই পদক্ষেপকে কেউ কেউ যুদ্ধ আবার কেউ কেউ অভিযান হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয় যে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুদ সীমিত থাকায় এর সঠিক ব্যবস্থাপনা জরুরি হয়ে পড়েছে। ইরানের বিপুল সংখ্যক ড্রোন এবং বিভিন্ন পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য ক্রমাগত ঝুঁকি তৈরি করছে।

এস এম/ ৫ মার্চ ২০২৬



Scroll to Top