অতি উচ্চ ঝুঁকির এলাকাগুলোর মধ্যে আছে রাজধানী ঢাকা ও ধামরাই, গাজীপুর সদর উপজেলা, কালিয়াকৈর ও শ্রীপুর, টাঙ্গাইলের কালিহাতী, মাদারীপুরের শিবচর ও টেকেরহাট, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, পাবনার ঈশ্বরদী, বগুড়ার শেরপুর, নাটোরের বড়াইগ্রাম, চট্টগ্রামের মিরসরাই, পটিয়া ও সীতাকুণ্ড, কক্সবাজারের চকরিয়া, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা, বরিশালের গৌরনদী, হবিগঞ্জের মাধবপুর এবং ময়মনসিংহের ত্রিশাল ও ভালুকা। গত পাঁচ বছরে এই উচ্চ ঝুঁকির স্থানগুলোতে নিহত হয়েছেন ৪ হাজার ৬৩৯ জন।
এই পরিসংখ্যান চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে দেশে সড়ক যেভাবে হয়েছে, সেভাবে হয়নি সড়কের ব্যবস্থাপনা ও পরিচালন কৌশল। উন্নত অবকাঠামো তৈরি হয়েছে, কিন্তু তাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কোনো কার্যকর নীতি ও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দুর্ঘটনার কারণগুলো ঘুরেফিরে একই থাকছে। জেলা-উপজেলার সড়কগুলোতে একেবারে নিবন্ধনহীন ও অনুন্নত যান চলাচলের পরিমাণ বেড়েছে। অনেক রাস্তার পাশে অসংখ্য পরিবহনের কাউন্টার, হাটবাজার এবং বাসের টিকিট বিক্রয়কেন্দ্র থাকার কারণে যত্রতত্র যাত্রী ওঠানো-নামানো হয়। দীর্ঘ সড়কগুলোতে চোখে ঘুম নিয়ে গাড়ি চালিয়ে থাকেন চালকেরা। আবার সড়কের পাশে যত্রতত্র গাড়ি থামিয়ে রাখা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন সড়কে বিপজ্জনক বাঁকগুলোর কোনো সংস্কার না করা।



