সারা বিশ্ব, কারিগরি পেশার সর্বোচ্চ সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যালায়েন্স (আইইএ) অত্যন্ত স্পষ্টভাবে কারিগরি পেশায় তিনটি স্তরের কথা উল্লেখ করে এ পেশায় পড়াশোনা ও কর্মপরিধির জন্য তিন ধরনের নীতি প্রণয়ন করে রেখেছে।
এই তিন স্তরের সর্বোচ্চটি হচ্ছে পেশাদার ‘প্রকৌশলী’দের জন্য, যা ‘ওয়াশিংটন অ্যাকর্ড’–এর আওতাধীন নিয়ন্ত্রিত। দ্বিতীয় স্তরটির ক্ষেত্রে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, তাঁদের বলা হবে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজিস্ট’ এবং তাঁরা পরিচালিত হবেন ‘সিডনি অ্যাকর্ড’–এর আওতায়।
তৃতীয় স্তরটিকে বলা হয়েছে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনিশিয়ান’ এবং তাঁরা পরিচালিত হবেন ‘ডাবলিন অ্যাকর্ড’–এর আওতাধীন। এখানে তিনটি স্তরের কারিগরি পেশাজীবীদের কে, কী নামে পরিচিত হবেন, তা সুস্পষ্টভাবে নির্ধারিত করে দেওয়া হয়েছে।
অথচ বাংলাদেশের ডিপ্লোমা টেকনোলজিস্টরা প্রায়ই নিজেদের ‘প্রকৌশলী’ হিসেবে দাবি করেন, যা সম্পূর্ণ বেআইনি।
শুধু ইঞ্জিনিয়ারিংই নয়, কৃষি ও মেডিকেল শিক্ষায় একই ধরনের কয়েকটি পর্যায় বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে বিদ্যমান ও সরকারি চাকরিতে তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট ধরনের সুবিধাদি দেওয়া হয়ে থাকে।


