জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাবেক সদস্য, বৃহত্তর ফরিদপুর ও নোয়াখালী জেলার সাবেক আমির মাওলানা রফি উদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
বুধবার (৬ জুলাই) জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার এক যৌথ শোকবার্তা প্রদান করেন। এর আগে আজ সকাল সাড়ে ৯টায় বার্ধক্যজনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তিকাল করেন রফি উদ্দিন।
শোকবার্তায় বলা হয়, মাওলানা রফি উদ্দিন আহমেদ একজন উঁচু মানের সংগঠক ছিলেন। তার সাংগঠনিক দক্ষতা এবং অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে বৃহত্তর নোয়াখালী ও ফরিদপুর অঞ্চলে ইসলামী আন্দোলনকে একটি মজবুত ভিত্তি লাভ করাতে সক্ষম হন। মূলত তিনি কৈশোর বয়স থেকেই কুরআন ও ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং ইসলামী আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। সংগঠনের কঠিন সময়গুলোতে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের একজন সম্মানিত সদস্য হিসেবে তার জীবনের বিপুল অভিজ্ঞতা দিয়ে সংগঠনকে অনন্যভাবে সহযোগিতা করেছেন। আমরা তার মৃত্যুতে গভীরভাবে শোক প্রকাশ করছি।
তারা বলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাকে ক্ষমা ও রহম করুন এবং তার কবরকে প্রশস্ত করুন। এই দাঈ ইলাল্লাহর জীবনের গুনাহখাতাগুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে নেকিতে পরিণত করুন। চিরদিনের যে সফর শুরু হল, এ সফরে আল্লাহ তাআলা তার প্রতি রহম করুন, রহমতের ফেরেশতাদেরকে দিয়ে তাকে সাহায্য করুন। আল্লাহ তাআলা তার বারযাখ ও জান্নাতের জিন্দেগি প্রশান্তিময় করুন। তার এই গোলামকে প্রিয় গোলামদের মধ্যে শামিল করে জান্নাতের আলা দারাজা দান করুন। মরহুমের পরিবারের সদস্যবৃন্দ, আত্মীয়-স্বজন ও সহকর্মীদেরকে আল্লাহ তাআলা সবরে জামিল আতা করুন।
মৃত্যুকালে রফি উদ্দিন আহমেদের বয়সছিল ৮২ বছর। তিনি স্ত্রী, চার ছেলে ও দুই মেয়েসহ বহু আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, আজ ৬ জুলাই বাদ আসর জামায়াতের কেন্দ্রীয় অফিস সংলগ্ন চাঁন জামে মসজিদে প্রথম এবং আগামীকাল ৭ জুলাই সকাল ৯টায় নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় নিজ গ্রামের বাড়িতে দ্বিতীয় জানাযা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।





