১০ লক্ষ টাকার ঝাঁ চকচকে শৌচালয় নিয়ে টানাটানি! মামলা গড়াল হাইকোর্টে, মাথায় হাত ডেবরার বস্তিবাসীদের

১০ লক্ষ টাকার ঝাঁ চকচকে শৌচালয় নিয়ে টানাটানি! মামলা গড়াল হাইকোর্টে, মাথায় হাত ডেবরার বস্তিবাসীদের

Last Updated:

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা ব্লকের ডেবরা বাজার সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে একটি বস্তি। সেই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে এই শৌচালয় বেহাল অবস্থায় ছিল।

শৌচালয়১০ লক্ষ টাকার ঝাঁ চকচকে শৌচালয় নিয়ে টানাটানি! মামলা গড়াল হাইকোর্টে, মাথায় হাত ডেবরার বস্তিবাসীদের
শৌচালয়

ডেবরা, পশ্চিম মেদিনীপুর, দিগ্বিজয় মাহালি: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা ব্লকের ডেবরা বাজার সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে একটি বস্তি। সেই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে এই শৌচালয় বেহাল অবস্থায় ছিল। সকলের থেকে বড় সমস্যা হত বস্তির মহিলাদের।প্রশাসনের কাছে বার বার দাবী জানানোর পর জেলা পরিষদের আর্থিক সহযোগিতায় প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ঝাঁ চকচকে শৌচালয় তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই তা ব্যবহারও শুরু হয়েছে। তবে ইদানিং ওই শৌচালয় তৈরির জায়গাটি নিজেদের জায়গা বলে দাবী করে হাইকোর্টে মামলা করেছেন ওই বস্তি সংলগ্ন এলাকার এক বাসিন্দা সুশিল গুছাইত।

সুশীল গুছাইত জানান, “যেই জায়গায় সরকারি শৌচালয় হয়েছে সেটা আমাদের জায়গা, যেই সময় ওর কাজ হয় বা জঙ্গল পরিস্কার হয়, তখন আমরা জানতে পারি যে ওটা আমাদের জায়গা। জানার পর আমরা বিভিন্ন জায়গায় জানিয়েছি। কোনও লাভ হয়নি। তাই আমরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি। হাইকোর্ট যা নির্দেশ দেবেন আমরা তাই মানব। আমরা কোনও মতে ওই জায়গা ছাড়ব না।” তিনি আরও জানান, যেই দাগ নম্বরে শৌচালয় করার কথা, প্রকৃত ভাবে সেই জায়গায় ওটা হয়নি৷

আর এই ঘটনায় হাইকোর্টে মামলা হওয়াই রীতিমতো চিন্তিত হয়ে পড়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের ওই বস্তির শতাধিক পরিবার ও এলাকার মহিলারা। তারা জানান, “আমাদের এলাকায় শৌচালয়ের অবস্থা বেহাল ছিল। যাই হোক বার বার আবেদন করার পর সরকার করে দিল। সেই সময় কেউ বাধা দিল না। এখন শুনছি একজন তাদের জায়গা দাবী করে হাইকোর্ট করেছে। আমরা তাহলে কোথায় যাব। বস্তিতে আর কোনও সরকারি শৌচালয় নেই।আমরা চাই প্রশাসন বিষয়টি দেখুক।”

এ বিষয়ে ডেবরা ব্লকের বিডিও প্রিয়ব্রত রাড়ী জানান, “আমার কাছে এই বিষয় নিয়ে কাজ চলাকালীন বা শৌচালয় চালু হওয়া পর্যন্ত কেউ অভিযোগ জানায় নি। ইদানিং শুনছি কেউ একজন তাদের জায়গা দাবী করে হাইকোর্ট করেছেন। আমরা প্রয়োজনে ওনার সঙ্গে কথা বলে দেখব। যাতে এই সমস্যার সমাধানের রাস্তা বের করা যায়।”

Scroll to Top