সাংস্কৃতিক পরিবেশনার এক ফাঁকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতা আবৃত্তি করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘যাঁদের কোলে বেড়ে উঠেছি, যাঁদের সঙ্গে শৈশব কেটেছে, যাঁদের পাশে নিয়ে চলেছি, তাঁদের কেউ কেউ নেই। আবার কেউ কেউ আছেন। যাঁরা আছি এখনো, তাঁরা একটু বাঁচার মতো বাঁচতে চাই। এই বাঁচাটা হচ্ছে নিজেকে অনুভব করা যে আমি আছি। বলুদার (বলরাম গুহঠাকুরতা) কাছে কয়েক দিন আগে আমি ছিলাম। দেখি, বলুদা প্রায় মরেই যাচ্ছেন। সে একেবারে ঘর থেকে বের হন না। তিনি বলেন, তুমি এভাবে ছোটাছুটি করো কীভাবে? আমি বললাম, দাদা আপনিও পারবেন। আপনি বাতাসে আসেন, সূর্য দেখেন। দেখবেন, আপনিও পারবেন। বলুদার মতো মানুষগুলোকে ঘর থেকে বের করে আনতেই এ আয়োজন।’ তিনি বলেন, ‘সেই শৈশব আর স্কুলজীবনের কথাগুলো আমি কখনোই ভুলতে পারি না। আমার সব সময় মনে হয়, আমি যদি সেই দিনগুলো ফিরে পেতাম। আজ মনে হচ্ছে, আমি সেই দিনে ফিরে গেছি।’
মিলনমেলায় এসে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক বিশ্বনাথ দে ধারা। তিনি বলেন, ‘প্রায়ই অসুস্থ থাকি। ঘর থেকে বের হতে পারি না। তবুও এখানে চলে এলাম। এখানে এসে একটা ভালো সময় কাটালাম। এখন মনে হচ্ছে, আমার বয়স ২০ বছর কমে গেছে।’


