হামে আক্রান্ত শিশুরা পাঁচ ধরনের জটিলতার ঝুঁকিতে

হামে আক্রান্ত শিশুরা পাঁচ ধরনের জটিলতার ঝুঁকিতে

কলি বেগম প্রথম আলোকে বলেন, ছেলে সর্দিজ্বরে আক্রান্ত হয় মার্চের প্রথম সপ্তাহে। তিন দফায় ছেলের চিকিৎসা হয় বরগুনা সদর হাসপাতালে, এরপর চিকিৎসা হয় বরিশাল শের–ই–বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ছেলে সুস্থ না হওয়ায় কলি বেগম তাকে নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন।

কলি বেগম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছেলে এখনো ভালোভাবে শ্বাস নিতে পারে না, কষ্ট হয়। ছেলের মুখে হাসি নেই। সম্পূর্ণ সুস্থ না হলে বরগুনায় ফিরে যাব না।’

রাজধানী জুরাইনের হারুন আল রশীদের যমজ দুই সন্তান জাবিয়ান ও জাহিয়ান প্রায় দুই মাস হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে দুদিন আগে বাসায় ফিরেছে। শিশু দুটির বয়স এখন আট মাস। ছয় মাস বয়সে তারা হামে আক্রান্ত হয়।

হারুন আল রশীদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওদের ওজন অনেক কমে গেছে। শরীরে নানা সমস্যা। আমরা বুঝে উঠতে পারছি না কী করব।’

হাম ভালো হওয়ার পর শিশুরা অন্য কোনো জটিলতায় পড়ছে কি না, তা তলিয়ে দেখছে না স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। যোগাযোগ করা হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশীদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘চিকিৎসার বাইরে আপাতত আমরা অন্য কিছু আর করছি না।’

Scroll to Top