তিন সন্তান তিন ওয়ার্ডে—এক মায়ের অসহায়তা
শুধু যমজ দুজনই নয়, একই সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে শাহানার বড় মেয়ে তিন বছর বয়সী আয়েশাও। জ্বর হলেই খিঁচুনি হয় তার।
নিয়ম নেই বলে যমজ হলেও খাদিজা আর ফাতেমাকে হাসপাতালের এক বিছানায় ভর্তি করা হয়নি। একসময় এমন অবস্থাও তৈরি হয়—আয়েশাসহ তিন সন্তান তিন জায়গায় ভর্তি। সন্ধ্যার পর হাসপাতালের ওয়ার্ডে পুরুষ স্বজনদের থাকতে না দেওয়ায় মা ও নানিকেই একা সামলাতে হয়েছে সব। এক শিশুকে কোলে রেখে আরেকজনকে বিছানায় শুইয়ে রেখে ডাকতে হয়েছে নার্স। ওষুধ আনতে দৌড়াতে হয়েছে। এক নার্স যা বলেন, তা করলে আরেকজন এসে বকাবকি করেন—এমন অভিজ্ঞতাও হয়েছে বলে অভিযোগ শাহানার।
শাহানা বেগম বলেন, ‘সিস্টার দিদি’দের কাছে কিছু জানতে চাইলেই ধমক দিতেন। বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকেরাও অপমানসূচক কথা শুনিয়েছেন। আর চিকিৎসায় অবহেলা ও গাফিলতি ছিল বলেই মনে করেন এই মা।



