ডারউইনে স্বপ্নের মত কাটিয়েছিল বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তুলে নেয় ঐতিহাসিক জয়। ম্যাকাইতে ঠিক মুদ্রার ওপিঠটা দেখল টিম টাইগার্স। মিচেল স্টার্ক ঝড়ে রীতিমত বিধ্বস্ত হয়েছে টাইগার ব্যাটিং লাইনআপ। ৫ ব্যাটারই রানের খাতা খুলতে পারেননি। স্টার্কের ৬ উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্তরা থেমেছে ৬৪ রানে।
গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে বাংলাদেশ। ৩৪ ওভার ব্যাট করে ৬৪ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারী দল।
বাংলাদেশকে ব্যাটে পাঠিয়ে প্রথম বলেই সাফল্য এনে দেন মিচেল স্টার্ক। সাদমান ইসলামকে ক্যামেরন গ্রিনের ক্যাচ বানান। এরপর আসা-যাওয়ার মিছিলই দেখে বাংলাদেশ।
তৃতীয় ওভারে দলীয় ৯ রানে জোড়া শিকার করেন স্টার্ক। তানজিদ তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তকে ফেরান। দুজনেই খালি হাতে ফেরেন। থিতু হতে পারেননি মুমিনুল হকও। ষষ্ঠ ওভারে দলীয় ১০ রানে স্টার্কের চতুর্থ শিকার হন তিনি।
সপ্তম ওভারের চতুর্থ বলে লিটন দাসকে পঞ্চম শিকার বানান স্টার্ক। লিটনও ফেরেন খালি হাতে। ১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
সেই চাপ আর কেটে ওঠতে পারেনি। ষষ্ঠ উইকেটে মেহেদী হাসান মিরাজ ও মুশফিকুর রহিম কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। ৫৪ বল খেলে ৯ রান যোগ করেন। ১৫.৩ ওভারে ২১ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় সফরকারী দল। ৪২ বলে ৫ রানে প্যাট কামিন্সের শিকার হন মুশফিক।
সপ্তম উইকেটে হাসান মাহমুদকে নিয়ে প্রথম সেশন পার করেন বাংলাদেশ। বিরতির পর নেমেই ভাঙে সেই জুটি। ৫৫ বলে ১৫ রান যোগ করেন দুজনে। ২৪.৩ ওভারে দলীয় ২৬ রানে কামিন্সের দ্বিতীয় শিকার হন মিরাজ। ৫১ বলে ১১ রান করেন।
দুই রান যোগ করতেই হাসান মাহমুদ আউট হন। হ্যাজেলউডের বলে স্লিপে নাথান লায়নের হাতে ক্যাচ দেন। ৩৬ বলে ১০ রান করেন। ২৮.১ ওভারে তাসকিনকে ফেরান কামিন্স। ৭ বলে ১ রান করেন।
৩৯ রানে ৯ উইকেট হারানোর পর তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামের ৩৫ বলে ২৫ রানের জুটিতে ৬৪ রানে থামে বাংলাদেশ।
১৯ বলে ১৪ রানে শরিফুল স্টার্কের ষষ্ঠ শিকার হলে জুটি ভাঙে। তাইজুল অপরাজিত থাকেন ১১ রানে।
স্টার্ক ১০ ওভারে ৬ মেডেনসহ ১২ রানে ৬ উইকেট নেন। কামিন্স ৩ উইকেট এবং হ্যাজেলউড নেন এক উইকেট।


