আইডিআরএর মুখপাত্র ও পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম আজ রোববার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা ব্যাখ্যার অপেক্ষায় আছি। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া না গেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
পরের পদক্ষেপ কি প্রশাসক নিয়োগ—এমন প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘সেটা এখনই বলা যাবে না।’
চিঠিতে বলা হয়েছে, আইন লঙ্ঘন করে আর্থিক অনিয়মের মাধ্যমে গ্রাহকের স্বার্থহানি ও কোম্পানির অর্থ আত্মসাৎ–সংক্রান্ত ১৪টি অভিযোগ তদন্তের জন্য আইডিআরএ গত ৩১ ডিসেম্বর নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান হুদা ভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোম্পানিকে নিয়োগ দেয়। অথচ সম্প্রতি পদত্যাগ করা চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের (যাঁর বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ) নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ ৩ জানুয়ারি সিইও রাশেদ বিন আমান অফিসে আসেন না—এমন অজুহাতে তদন্ত ২০ দিন বিলম্ব করার আবেদন করে। যদিও সিইও আইডিআরএর কাছে এক আবেদনে জানান, পর্ষদ চেয়ারম্যান ও অন্যদের মাধ্যমে তিনি অফিসে প্রবেশে বাধাগ্রস্ত হচ্ছেন এবং তাঁর অফিস তালাবদ্ধ।
২৩ জানুয়ারি হুদা ভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোম্পানি আইডিআরএর কাছে এক আবেদনে জানায়, কার্যপরিধি অনুযায়ী তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য–উপাত্ত সরবরাহ করা হচ্ছে না, কোম্পানির কম্পিউটার বেজ অ্যাকাউন্টিং সিস্টেমে প্রবেশাধিকার দেওয়া হচ্ছে না, সরবরাহকৃত ফটোকপির যথার্থতা যাচাইয়ের জন্য মূল দলিলপত্র দেওয়া হচ্ছে না এবং তদন্তকার্য পরিচালনায় পর্ষদ আশানুরূপ সহযোগিতা করছে না।



