মরক্কো থেকে স্পেনের ভূখণ্ড সেউতায় অভিবাসীদের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সর্ববৃহৎ অনুপ্রবেশের পেছনে কাজ করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব, বিচারিক একটি রায় এবং নিজ দেশে তীব্র অর্থনৈতিক সংকট। মরক্কোয় দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট, দারিদ্র্য ও ২৫ শতাংশের বেশি তরুণের বেকারত্ব মানুষকে দেশ ছাড়তে উৎসাহিত করছে।
এরই মধ্যে চলতি জুলাইয়ে স্পেনের সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়সংক্রান্ত ভুল তথ্য টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া তথ্যে বলা হয়, সমুদ্রে আটক অভিবাসীদের আর তাত্ক্ষণিকভাবে ফেরত পাঠানো যাবে না। ফলে বহু তরুণ এই সুযোগে সেউতায় ঢোকার চেষ্টা করেন। যদিও স্পেন সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়ায় তাঁদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিধান বহাল রয়েছে।
বিশ্লেষকদের একাংশের ধারণা, রাজনৈতিক সুবিধা হাসিল করতে মরক্কো সীমান্ত শিথিল করে থাকতে পারে। উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের মালিকানাধীন সেউতা ও মেলিইয়া অঞ্চল দুটিকে মরক্কো নিজেদের ‘দখল করা ভূখণ্ড’ হিসেবে গণ্য করে। সম্প্রতি আলজেরিয়া ও পশ্চিম সাহারা ইস্যুতে স্পেনের কিছু পদক্ষেপে রাবাত অসন্তুষ্ট হয়েছিল, যা এই সীমান্ত ঢিলেঢালা করার কারণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে মরক্কো এবং স্পেনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কূটনৈতিক টানাপোড়েনের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।



