গত সপ্তাহে ক্যাপিটল হিলে এক শুনানিতে মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন স্বীকার করেছেন, ট্রাম্প কেবল বিমান হামলার মাধ্যমে যুদ্ধে তাঁর আগে ঘোষিত সব লক্ষ্য অর্জন করতে পারবেন—এমনটা ঘটার সম্ভাবনা কম। তা সত্ত্বেও ট্রাম্পের প্রধান দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনার একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে ইরানি নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ বিভাজন। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রভাব বৃদ্ধির কারণে ওয়াশিংটন কার সঙ্গে আলোচনা করবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ইসরায়েল চাপ বাড়াতে বললেও সৌদি আরব স্পষ্ট করেছে যে নিজেদের আত্মরক্ষা ছাড়া তারা সংঘাত বাড়াতে চায় না। সৌদির মতে, নেতানিয়াহুই মূলত সংঘাতের উসকানি দিচ্ছেন। এই দুই ভিন্ন অবস্থানের মধ্যে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প আগামী দিনে চুক্তি নাকি জোরালো সামরিক হামলা—কোন পথে হাঁটবেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি।



