মামলার আরজিতে পারভীন আকতার দাবি করেন, পরে তিনি এসে পুলিশের সহায়তায় নাছির চৌধুরীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যান। সেখানে কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর তিনি জোর করে দলিলে সই নেওয়ার বিষয়টি তাঁকে জানান। বিষয়টি নিয়ে পরে নানা আলোচনা-সমালোচনা হলে আসামিরা ক্ষমা চান এবং দ্রুত দলিল বাতিলের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাঁরা কোনো উদ্যোগ নেননি। ঘটনার পরে শেলী চৌধুরী ও শামীমা চৌধুরী দুজনই মারা গেছেন।
এ প্রসঙ্গে মামলার আসামি মঈন উদ্দিন চৌধুরী বলেন, পারিবারিকভাবে তাঁদের কিছু ঝামেলা আছে। মামলার বিষয়টি তিনি জানেন না। জানার পর আইনিভাবেই জবাব দেবেন।
নাছির চৌধুরী সুনামগঞ্জ-২ আসন থেকে দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। গত নির্বাচনের পর তাঁর ভাইদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। ৬ আগস্ট জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দুই বছর উপলক্ষে দিরাই শহরে বিএনপি আয়োজিত এক সমাবেশ নাছির চৌধুরী বলেছেন, তাঁর কোনো ভাই নেই। তিনি একা।
এর এক দিন পর মঈন উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে দিরাইয়ে আরেকটি সমাবেশ হয়। এতে মঈন উদ্দিন চৌধুরী বলেন, সংসদ সদস্যকে একটি লুটেরা সিন্ডিকেট ঘিরে রেখেছে। তাঁরা এদের কবল থেকে নাছির চৌধুরীকে মুক্ত করতে চান।