জানা গেছে, মেয়েরা চিঠিতে যা লিখেছেন, সেটির পাশাপাশি সাফ পর্যন্ত বাটলারের ছয় মাসের দায়িত্ব পালনে কী কী সমস্যায় তাঁরা পড়েছেন, সেসব তুলে ধরেন। কোচের একাদশ নির্বাচন, সিনিয়রদের প্রতি যত্নশীল না হওয়া, বিভিন্ন সময়ে খারাপ আচরণ করা ইত্যাদি বিষয়ও এসেছে। কমিটি আলাদাভাবে সবার কাছে জানতে চেয়েছে, ‘আপনার সঙ্গে কী করেছে কোচ? ভয় পাওয়ার কিছু নেই, নিশ্চিন্তে সব বলুন।’ মেয়েরা তাঁদের সব ক্ষোভের কথাই বলেছেন।
সাত সদস্যের কমিটিতে বাফুফের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন, এমন তিনজন সদস্যই মূলত প্রশ্ন করেছেন মেয়েদের। বাফুফের নির্বাহী কমিটিতে থাকা চারজন শুনেছেন বেশি। তাঁরা যেহেতু মেয়েদের সঙ্গে নানাভাবে পরিচিত, তাই মেয়েদের প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে নিজেদের একটু গুটিয়ে রেখেছেন, যাতে স্বার্থের সংঘাত না হয়। যেহেতু এই মেয়েদের অনেকেই নির্বাহী কমিটির অনেকের সঙ্গেই নানাভাবে সম্পৃক্ত।
মেয়েদের সঙ্গে কথা বলা শেষে বিশেষ কমিটির প্রধান বাফুফের সিনিয়র সহসভাপতি ইমরুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ১৮ জনের মধ্যে বাকি ১১ জনের কথা কমিটি আজ শুনবে। প্রথম দিনে মেয়েরা কী বলেছেন, তা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি ইমরুল। কোচ ও খেলোয়াড়দের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, বিষয়টি টেকনিক্যাল।