
ঢাকা, ১৭ এপ্রিল – উৎসবমুখর পরিবেশে লোকজ মেলা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে পর্দা নামল শিল্পকলা একাডেমির পাঁচ দিনব্যাপী নববর্ষের অনুষ্ঠানমালার। ঢাকঢোল, লাঠিখেলা, ঘুড়ি ওড়ানো, লাটিম খেলা, জারিগান, সারিগান, পটগান, পুঁথিপাঠ, যাত্রাপালা, কবিগান, গাজির গান, গম্ভীরা, ভাওয়াইয়া গান এবং পুতুলনাট্যসহ নানা বৈচিত্র্যময় পরিবেশনায় সাজানো ছিল এই আয়োজন। শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানের শুরুতে লোকসংগীত পরিবেশন করা হয়।
এরপর ক্রমান্বয়ে জালালগীতি, ভাওয়াইয়া, বাউল গান এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের দলীয় পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে। সমাপনী দিনে ৫০ জন নৃত্যশিল্পীর অংশগ্রহণে এসো হে বৈশাখ গানের ওপর একটি বিশেষ কোরিওগ্রাফি প্রদর্শিত হয়। সবশেষে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র সূর্য দীঘল বাড়ী প্রদর্শনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। বিশেষ এ আসরে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার আমাদের সাংস্কৃতিক মৌলিকত্বকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর। প্রতিটি জাতি তার নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নিয়ে প্রস্ফুটিত হবে এবং আমরা একটি বৈচিত্র্যময় জাতি হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলব। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, হারিয়ে যাওয়া লোকশিল্প ও সংস্কৃতির গভীরতা বিশ্বদরবারে তুলে ধরা প্রয়োজন। শিল্পী ও সাহিত্যিকরা যাতে সমাজে সসম্মানে বসবাস করতে পারেন সেজন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশের আহ্বান জানান তিনি।
এস এম/ ১৭ এপ্রিল ২০২৬






