চিয়াং মাইয়ের বাসিন্দা ৭৬ বছর বয়সী সাই ভূমিকম্পের সময় একটি দোকানে কাজ করছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি দ্রুত অন্য গ্রাহকদের সঙ্গে দোকান থেকে বের হয়ে গেছি। এটা আমার জীবনে দেখা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।’
থাই প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে লিখেছেন, তিনি ভূমিকম্পের পর ‘জরুরি বৈঠক’ করতে দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ ফুকেটে তাঁর নির্ধারিত সরকারি সফর স্থগিত করেছেন।
বেইজিংয়ের ভূমিকম্পবিষয়ক সংস্থা বলছে, চীনের দক্ষিণ-পশ্চিম ইউনান প্রদেশেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। এ কম্পনের তীব্রতা ছিল ৭ দশমিক ৯।
ইউএসজিএসের তথ্য অনুসারে, মিয়ানমারে ভূমিকম্প প্রায়ই ঘটে থাকে। সেখানে ১৯৩০ থেকে ১৯৫৬ সালের মধ্যে সাগাইং ফল্ট বা চ্যুতির কাছে ৭ বা তার বেশি তীব্রতার ছয়টি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে।