ফ্যাশন–ভাবনায়ও আলাদা রাশা। আরাম আগে, ট্রেন্ড পরে—এটাই তাঁর নীতি। তাঁর ভাষ্যে, ‘যা মানায় আর আরামদায়ক, সেটাই পরি। লোকে কী বলবে, তা নিয়ে ভাবি না, ভাবতে চাইয়ো না।’ এই জীবনদর্শন এসেছে মায়ের কাছ থেকে। ‘আমার বেড়ে ওঠা হয়েছে মায়ের ছায়ায়। আমার ৯০ শতাংশ স্টাইল তাঁর কাছ থেকেই এসেছে।’
বুঝতে বাকি নেই, নব্বইয়ের দশকের ফ্যাশন ও নারীর আত্মবিশ্বাসই রাশার অনুপ্রেরণা। ‘সেই সময়ের পোশাক, সাজগোজ—সবই ছিল আইকনিক। যতটা সম্ভব সেই শৈলী নিজের মধ্যে ধারণ করতে চাই।’ সিনেমায় অভিষেকের আগেই ইনস্টাগ্রামে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি—অনুসারীর সংখ্যা সে সময়েও ছিল ১৩ লাখের বেশি।
শুধু অভিনয় নয়, নানামুখী প্রতিভার অধিকারী রাশা। গান গাওয়া, বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজানো—নানা কলায় সাবলীল। মার্শাল আর্টে দক্ষ, তাইকোয়ান্দোতে ব্ল্যাক বেল্টধারী। পড়াশোনাতেও সমান মনোযোগী এই তরুণ তারকা বর্তমানে বিজনেস ম্যানেজমেন্টের প্রথম বর্ষের ছাত্রী।



