২০২৬ সালের বিশ্বকাপের ডালাস, আটলান্টা ও হিউস্টনের তিনটি প্রধান ডোম স্টেডিয়ামের ঘাস তৈরি হয়েছে কলোরাডোর ডেনভারে অবস্থিত জো উইলকিন্সের বিশাল গ্রিন ভ্যালি টার্ফ কোম্পানির ফার্মে। সেখানে প্লাস্টিকের চাদরের ওপর বালু বিছিয়ে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক উপায়ে ঘাস চাষ করা হয়েছে, যাতে কাটার সময় এর শিকড় অক্ষত থাকে। এই ঘাসকে সতেজ রাখতে নিয়মিত সার, ছত্রাকনাশক, হিউমেটস, সামুদ্রিক কেল্প ও সিলিকা ব্যবহার করা হয়েছে। কাটার পর ঘাস যাতে গরমে নষ্ট না হয়, সে জন্য কেবল সূর্যাস্তের পর ঘাস কেটে রেফ্রিজারেটেড বা শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ট্রাকে করে হাজার মাইল দূরের স্টেডিয়ামগুলোতে পাঠানো হয়েছে। স্টেডিয়ামে পৌঁছানোর পর দিনের আলো না পেলেও সমস্যা নেই, কারণ মাঠের ঠিক ওপর থেকে আলট্রাভায়োলেট বা বেগুনি আলোর বিকিরণ ঘটাতে তৈরি রাখা হয়েছে শক্তিশালী এলইডি গ্রো লাইটস। এই কৃত্রিম আলোই ঘাসকে সতেজ রাখবে।
ফিফা এই বিশ্বকাপের ঘাস গবেষণার পেছনে প্রায় ৫০ লাখ মার্কিন ডলার ব্যয় করেছে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই গবেষণার ফলে শুধু বিশ্বকাপ নয়, ভবিষ্যতে স্কুল-কলেজের সাধারণ খেলার মাঠের ঘাসের মানও অনেক উন্নত করা সম্ভব হবে।
সূত্র: বিবিসি স্পোর্টস



