মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্ম আজও আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায় – DesheBideshe

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্ম আজও আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায় – DesheBideshe

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্ম আজও আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায় – DesheBideshe

ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি – অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্মে মানবিক চেতনা, মুক্তবুদ্ধি ও সৃজনশীলতার যে দীপ্তি প্রকাশ পেয়েছে, তা আজও আমাদের অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) ‘মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০২তম জন্মবার্ষিকী’ উপলক্ষে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম দিকপাল মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ী গ্রামে ২৫ জানুয়ারি মধুসূদন জন্মোৎসব পালিত হবে জেনে আমি আনন্দিত।

তিনি আরও বলেন, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত এক উজ্জ্বল নাম। তার সাহিত্যকর্ম ও সৃজনশীলতা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে আধুনিকতার নতুন দিশা দেখিয়েছে। এ মহান সাহিত্যিককে স্মরণ করার এ আয়োজন নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমি শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানাই।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মহাকবি অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন, মহাকাব্যিক রচনাশৈলী এবং নাট্যসাহিত্যে নতুন ধারা প্রবর্তনের মাধ্যমে বাংলা ভাষাকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার মহাকাব্য, নাটক ও কাব্যগ্রন্থে মানবিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম এবং মুক্তচিন্তার প্রতিফলন দেখা যায়। তার সাহিত্যকর্ম আজও আমাদের চিন্তা ও সৃজনশীলতাকে সমৃদ্ধ করছে।

তিনি আরও বলেন, মধুসূদন জন্মোৎসবের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে মহাকবির জীবন ও সাহিত্য সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি করবে এবং সাহিত্যচর্চায় আগ্রহী করবে। একই সঙ্গে এটি আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয় সংরক্ষণ ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশা করি।

সবশেষে বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা ‘মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মোৎসব’ উপলক্ষে আয়োজিত সব অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

এনএন/ ২৫ জানুয়ারি ২০২৬



Scroll to Top