ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাজ্য সফরকে কেন্দ্র করে এ কেলেঙ্কারি নতুন করে আবারও আলোচনায় আসে। কারণ, এপস্টেইনের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের অভিযোগে কয়েক দিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসনকে বরখাস্ত করেছে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সরকার।
তবে এ ঘটনার পরও নৈশভোজের অতিথিদের তালিকায় ছিলেন মারডক। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, ব্রিটিশ সরকার ও হোয়াইট হাউস তালিকাটি যৌথভাবে প্রস্তুত করেছিল। আর আসনের বিন্যাস সাজিয়েছিল রাজপরিবার।
মিডিয়া ব্যবসার কারণে ৯৪ বছর বয়সী রুপার্ট মারডক দীর্ঘদিন ধরে ব্রিটিশ রাজনীতিতে ‘কিংমেকার’ হিসেবে পরিচিত। অনুষ্ঠানে অন্য অতিথিদের সঙ্গে আলাপ করলেও ট্রাম্প থেকে অনেকটা দূরেই বসেছিলেন মারডক। অতিথিদের মধ্যে ছিলেন ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকারী প্রিন্স উইলিয়াম ও তাঁর স্ত্রী প্রিন্সেস অব ওয়েলস ক্যাথরিন, ট্রাম্পের কন্যা টিফানি ও তাঁর স্বামী।



