বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তথ্য সংগ্রহ করে চাঁদা দাবি করত চক্রটি, গ্রেপ্তার ৪: ডিবি

ডিবির ভাষ্যমতে, চক্রটির পেছনের মূল ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন সানি সাহা। তিনি ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে কাজ করেছিলেন। পরে হুন্ডির ব্যবসায় যুক্ত হয়ে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতির মুখে পড়েন। এই ক্ষতি কাটাতে তিনি এ ধরনের চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েন।

ডিবি বলছে, ২০২৩ সালে সিঙ্গাপুরে থাকাকালে আলমগীর হোসেনের সঙ্গে সানির পরিচয় হয়। পরে সমাজের উচ্চবিত্ত ব্যক্তিদের বাসার ঠিকানা, গাড়ির নম্বর, পেশা, গতিবিধি, আর্থিক বিষয়সহ ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব সানিকে দেওয়া হয়। চিকিৎসক আমিনুল হক ও আসাদুর রহমানকে হুমকি দিয়ে বড় অঙ্কের অর্থ আদায়ের জন্যও তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সানি পরে হামলার জন্য সদস্য সংগ্রহের দায়িত্ব দেন ফাতিনকে। ফাতিন জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, আসাদুর রহমানের ওপর হামলার জন্য আবু বকর (১৮), রাতুল (১৯), ইবান (২২), জীবন (২১) ও সাব্বিরকে (১৮) এক লাখ টাকার বিনিময়ে এই কাজে যুক্ত করেন। তাঁদের মধ্যে ইবান ও জীবন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে।

শফিকুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসকদের পাশাপাশি সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও নিশানা করত চক্রটি। আরেকটি চক্র বিভিন্ন দূতাবাসে ই–মেইলের মাধ্যমে হুমকি দিচ্ছে। সেই চক্রকে ধরতেও কাজ করছে ডিবি।

Scroll to Top