বিএসএফ ঠেলে নো ম্যানস ল্যান্ডে ঢুকিয়ে দিয়ে দায়িত্ব অস্বীকার করছে জানিয়ে মানবাধিকার সংগঠনটি বলেছে, ‘বিএসএফ বলছে, ওরা বাংলাদেশি, তাই বিএসএফের কোনো দায়িত্ব থাকতে পারে না। অন্যদিকে বাংলাদেশের বিজিবি বলছে, ওরা যে বাংলাদেশি, তার কোনো প্রমাণ নেই। বিজিবির মতে, ওরা ভারতীয়। ফলে তাদের কোনো দায়িত্ব নেই। ফলে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর বন্দুকের সামনে খাবার ও পানীয় জলহীন এক ভয়ংকর জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে বেশ কিছু মানুষ।’
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বেশ কয়েকটি জায়গায় এই অবস্থা বলে জানিয়েছে এপিডিআর। সংগঠনটি বলেছে, ‘আমরা মনে করি, ভারতের ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট (থ্রি ডি) নীতিটাই অসাংবিধানিক, বেআইনি। সংবিধানের ২১ এবং ১৪ নম্বর ধারার বিরোধী। এই নীতিই বর্তমান সংকটের উৎস।’ ভারতের সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ ভারতের ভূখণ্ডের মধ্যে থাকা সমস্ত ব্যক্তির সমান মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়। ২১ নম্বর অনুচ্ছেদে সব নাগরিকের জীবন এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।



