নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টুয়েন্টির প্রথমটিতে ৬ উইকেটে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ভেস্তে যায় বৃষ্টিতে। তৃতীয় ও শেষ টি-টুয়েন্টিতেও বৃষ্টির হানায় কাটিয়ে ওভার কমিয়ে হয়েছিল খেলা। টাইগারদের ব্যাটিং ধসের পর আশাজাগানিয়া শুরু এনে দিয়েছিলেন শরিফুল ইসলাম। তবে বেভন জ্যাকবসের ৩১ বলে ৬২ রানের জুটিতে ৬ উইকেটে জয় তুলে নিয়েছে কিউইরা। তাতে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে সিরিজ।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে বাংলাদেশ। বেঁধে দেয়া ১৫ ওভারের ম্যাচে ১৪.২ ওভারে ১০২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাবে নেমে ২০ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে কিউইরা।
বাংলাদেশ অলআউট হওয়ায় বৃষ্টি আইনে কিউইদের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১০৩ রান। লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ৩৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। এরপর বেভন জ্যাকবস ও ডিন ফক্সক্রফটের ৭১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে জয় তুলে নেয় সফরকারীরা। ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৩১ বলে ৬২ রান করেন জ্যাকবস এবং ১৫ বলে ১৫ রান করেন ফক্সক্রফট।
বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে শরিফুল ৩ উইকেট নেন। শেখ মেহেদী নেন ১ উইকেট।
বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। দলীয় ২১ রানে প্রথম উইকেট হারায় টিম টাইগার্স। জেডেন লেনক্সের অফ স্টাম্পের বাইরে ঝুলিয়ে দেয়া বলে সাইফ হাসান ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে শট খেলতে চেয়েছিলেন। টাইমিং ঠিকঠাক না হওয়ায় ধরা পড়েন টিম রবিনসনের হাতে, ১৬ রানে থামে তার ইনিংস।
দলীয় ৩৫ রানে নাথান স্মিথের পরপর দুই বলে সাজঘরে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমন। ১০ বলে ৬ রান করে নাথান স্মিথের বলে বোল্ড হন তানজিদ। পরের বলেই ইমন আপার কাট খেলতে পারেননি। থার্ড ম্যানে দাঁড়িয়ে থাকা ইশ সোধি সহজ ক্যাচ নিলে ইমন গোল্ডেন ডাক মেরে ফিরে যান।
বাংলাদেশের স্কোর যখন ৬.৪ ওভারে ৩ উইকেটে ৫০ রান। এমন সময় মিরপুরে বৃষ্টি হানা দেয়। তাতে খেলা বন্ধ থাকে প্রায় দুই ঘণ্টার মত। বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট থেকে পুনরায় শুরু হয় লড়াই। কাটেল ওভারে খেলতে নেমে দ্রুতই উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।
দলীয় ৬৩ রানে আউট হন লিটন দাস। ক্লার্কসনের বলে জ্যাকবসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৭ বলে ২৬ রান করেন। ১১.৩ ওভারে শামীম পাটোয়ার রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে উইকেট বিলিয়ে আসেন। ৮ বলে ৩ রান করেন। ৮৮ রানে তাওহীদ হৃদয় ফেরেন। ৩ চার ও ২ ছক্কায় ২৪ বলে ৩৩ রান করে রবিনসনের হাতে ক্যাচ দেন। এক রান যোগ করতেই ফিরে যান সাইফউদ্দিন। দলীয় ৯৫ রানে রানআউট হন রিশাদ।
শতরান পেরিয়ে দলীয় ১০২ রানে নবম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শরিফুল বোল্ড হয়ে যান। পরের বলেই বোল্ড হন রিপন মণ্ডল। বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১০২ রানে।
কিউই বোলারদের মধ্যে জশ ক্লার্কসন ৩ উইকেট নেন। নাথান স্মিথ ও বেন সিয়ার্স নেন দুটি করে উইকেট।




