পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় ওই কিশোরীকে তার পরিবারের সদস্যরা বকাঝকা করেন। ওই দিন দুপুর ১২টার পর সে বাড়ি থেকে বের হয়। তখন তার মা ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। এর পর থেকে ওই কিশোরীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাচ্ছিলেন না। আজ সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০ হাত দূরের একটি পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পুকুরটিতে পানির গভীরতা ছিল দুই থেকে তিন ফুট। এই পরিমাণ পানিতে মেয়েটির মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ। ওই ছাত্রীর বাবা বলেন, ‘মেয়ে নিখোঁজের পর অনেক জায়গায় খুঁজেছি। ভেবেছিলাম, পরীক্ষায় খারাপ করেছে বলে মন খারাপ করে কারও বাড়িতে চলে গেছে। এভাবে মেয়ের লাশ দেখতে হবে, ভাবিনি। আমার মেয়ে কীভাবে মারা গেল, কিছুই বুঝতে পারছি না।’