এক লাফে এলপিজির দাম ১২ শতাংশের বেশি বাড়লেও বাজারে এখনো সরবরাহ সংকট। জ্বালানি না পেয়ে বিপাকে সব শ্রেণির ভোক্তা। বিক্রেতারা বলছেন, কোম্পানির ডিপো থেকেই এলপিজি সরবরাহ কম। পরিবহনেও গুণতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া। তাই বিইআরসি নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি সম্ভব নয়। চাহিদা অনুযায়ী আমদানির জন্য ব্যাংকের সহায়তা চায়, অপারেটরদের সংগঠন লোয়াব।
কয়েক সপ্তাহ ধরেই রাজধানীসহ সারাদেশে এলপি গ্যাসের সংকট। জ্বালানির অভাবে বাসাবাড়ির রান্নার চুলা তো বটেই, রাস্তার ধারের টং দোকান, রেস্তোঁরা চালানোও কঠিন হয়ে পড়েছে। কখনও কখনও এলপিজি পাওয়া গেলেও গুণতে হচ্ছে বাড়তি দাম।
এলপিজির বেশিরভাগ দোকানেই পড়ে আছে খালি সিলিন্ডার।
ক্রেতা ধরে রাখতে কেউ কেউ ঢাকার বাইরের পরিবেশকদের থেকে এলপিজি আনার চেষ্টা করছেন। দোকানিরা বলছেন, কোম্পানির ডিপোতে ৮–১০ দিন ধরে পড়ে আছে গাড়ি। এতে বাড়তি পরিবহন ভাড়াও চাপছে ভোক্তাদের কাঁধে।
বাজারের ৯৮ শতাংশই বেসরকারি খাতের নিয়ন্ত্রণে।
লোয়াবের সিনিয়র সহসভাপতি হুমায়ুন রশীদ বলেন, ‘গত মাসে ১ লাখ ৪০ হাজার টনের বেশি আমদানি হয়েছে। শিল্প-পরিবহনেও বেড়েছে এলপিজি ব্যবহার। কিন্তু বেশিরভাগ অপারেটর আমদানি সক্ষমতা হারিয়েছে। এমন অবস্থায় ১০ শতাংশ মার্জিনে এলসি খোলার সুযোগ পেলে ভালো হয়।’
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
চলতি বছর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ৭৫৪ টাকা।



