তবে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা সরকার। তাদের দাবি, বর্ণবাদ ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতেই কৃষ্ণাঙ্গদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতি চালু করা হয়েছে, কাউকে নির্যাতন করার জন্য নয়।
মার্কিন অর্থায়ন বন্ধের বিষয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের কথা তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে তারা দীর্ঘদিন ধরেই এইডস কর্মসূচিতে পরনির্ভরশীলতা কমিয়ে নিজেদের স্বাবলম্বী করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।
দেশটির সরকার স্পষ্ট করেছে, এইডস আক্রান্তদের জীবনরক্ষাকারী ওষুধের বেশিরভাগ খরচ দক্ষিণ আফ্রিকা সরকার নিজেই বহন করে। দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্তমানে ৮০ লাখের বেশি মানুষ এইচআইভি আক্রান্ত, যা বিশ্বের যেকোনো দেশের চেয়ে সর্বোচ্চ।

