জামায়াতের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়নি

জামায়াতের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়নি

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসলামী আন্দোলনের একজন কেন্দ্রীয় নেতা প্রথম আলোকে বলেন, শুরু থেকেই যোগ্যতা ও জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে আসন ছাড়ের কথা ছিল। কোনো দলের প্রার্থী যদি ২০টি আসনে যোগ্য হয়, তবে তাকে ২০টিই দেওয়া উচিত। আবার কেউ ৮০ আসনে যোগ্য হলে সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে।

অন্যদিকে জামায়াতের একজন কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, ইসলামী আন্দোলন ৭০-৭৫টি আসন চাইছে, যেটি বাস্তবসম্মত নয়। এখানে তৃতীয় কোনো পক্ষের ইন্ধন আছে কি না, সেটিও ভাবা দরকার। অতীতের নির্বাচনগুলোতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র হয়েছে। আগামী নির্বাচন কেন্দ্র করেও একই রকম ষড়যন্ত্র হচ্ছে। যারা ইসলামী দলগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে দেখতে চায় না, তারাই এসব ষড়যন্ত্র করছে।

আট দলের বৈঠকে উপস্থিত থাকেন ইসলামী আন্দোলনের এমন একজন নেতা প্রথম আলোকে বলেন, আসন সমঝোতা না হলে ইসলামী ঐক্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এ বিষয়ে সবাই একমত। কিছুটা অস্বস্তি থাকলেও পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।

গতকাল জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ প্রথম আলোকে বলেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার পর্যন্ত সময় আছে। তার আগেই সমঝোতা চূড়ান্ত করার চেষ্টা আছে।

শেষ পর্যন্ত সমঝোতার আলোচনা চূড়ান্ত হবে কি না, জানতে চাইলে ইসলামী আন্দোলনের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম রোববার প্রথম আলোকে বলেন, এটি পরিবেশ-পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে। ইসলাম, দেশ এবং মানবতার জন্যই সমঝোতা করবে ইসলামী আন্দোলন। এই তিনটি ব্যাহত হলে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে।

Scroll to Top