সোহানের লাশ দেশে আনার আকুতি জানিয়ে শাহিনুর আকতার আগেই বলেছিলেন, শেষবারের মতো ছেলের মুখ দেখতে চান, নিজ হাতে শেষ গোসল করাতে চান।
গতকাল বিকেলে কফিনবন্দী লাশটি পৌঁছানোর পর স্বজনদের সহায়তায় শাহিনুরকে সেখানে নেওয়া হয়। নির্বাক হয়ে তিনি কিছুক্ষণ ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে বলে ওঠেন, ‘বাবা, অ্যালাও ঘুমাছিস? ওঠেক!’ এর একপর্যায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
পরিবারের সদস্যরা জানান, কয়েক দিন ধরে ছেলের লাশের অপেক্ষায় ছিলেন শাহিনুর। না খেয়ে ও না ঘুমিয়ে তিনি শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন।



