সবুজ দাবি করেন, তাঁরা যে টাকা তোলেন, সেটার ভাগের একটা অংশ পুলিশ ও প্রশাসনের কাছে যায়। তিনি বলেন, ‘প্রশাসনে একটা খরচ যায়। তাঁদেরও ঈদের একটা খরচ আছে। আমরা এখানে পাই বলে, তারা আমাদের থেকে নেয়। মনে করেন, আমি যদি কিছু না পাই, আপনাকে কী দেব? পাই বলেই দিই।’
সবুজের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কারা এ বিষয়টি জানেন? জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা অনেকেই জানে।’
‘চাঁদাবাজির’ বিষয়টি নিয়ে কথা হয় মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওখানে রাস্তা বন্ধ করে পশু বিক্রির খবর শুনেছি। আমরা বিষয়টি দেখছি। কিন্তু পুলিশ-প্রশাসন টাকার ভাগ পায়, এমন দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ ধরনের কোনো অনুমতি আমরা দিইনি। পশুর হাটের বাইরে আমাদের কোনো ইজারাদারও নেই। যারা এ ধরনের কথা বলেছে, তারা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলেছে।’



