চেনাব ও আঞ্জি সেতু পেরিয়ে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার গতিতে ছুটল বন্দে ভারত – DesheBideshe

চেনাব ও আঞ্জি সেতু পেরিয়ে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার গতিতে ছুটল বন্দে ভারত – DesheBideshe


চেনাব ও আঞ্জি সেতু পেরিয়ে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার গতিতে ছুটল বন্দে ভারত – DesheBideshe
বন্দে ভারত

দিল্লি, ০৩ অক্টোবর-ভারতের চেনাব নদীর ওপর নির্মিত বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলসেতু এবং দেশটির প্রথম কেবল-স্টেড রেলসেতু আঞ্জি সেতু পেরিয়েছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। দুই সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচলের এই পরীক্ষা জম্মু-কাশ্মীরের রেল যোগাযোগে নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ও প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার (পিটিআই) প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার এই পরীক্ষামূলক যাত্রা সম্পন্ন হয়। এর মাধ্যমে জম্মু বিভাগের কাটরা-বানিহাল রেলপথে ট্রেনের সর্বোচ্চ অনুমোদিত গতিসীমা ঘণ্টায় ৭৫ থেকে বাড়িয়ে ১০০াল রেলপথে নিরাপত্তাসংক্রান্ত নির্ধারিত শর্ত পূরণের পর গতিসীমা বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগে কাটরা-সাঙ্গলদান অংশে ঘণ্টায় কিলোমিটার করা হয়েছে।

উত্তর রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানান, ১১১ কিলোমিটার দীর্ঘ শ্রী মাতা বৈষ্ণোদেবী কাটরা-বানিহাল রেলপথে নিরাপত্তাসংক্রান্ত নির্ধারিত শর্ত পূরণের পর গতিসীমা বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগে কাটরা-সাঙ্গলদান অংশে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮৫ কিলোমিটার এবং সাঙ্গলদান-বানিহাল অংশে ৭৫ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচলের অনুমতি ছিল।

ভারতের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রেনটির সেতু অতিক্রমের ভিডিও প্রকাশ করেছেন। তাঁর পোস্টে এই ঘটনাকে ভারতের প্রকৌশল সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে তুলে ধ৩৫৯ মিটার এবং এর দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৩১৫ মিটার। এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ রেল আর্চ ব্রিজ হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে, আঞ্জি খাড সেতু ভারতের প্রথমরা হয়।

চেনাব রেলসেতুটি জম্মু-কাশ্মীরের রিয়াসি এলাকায় চেনাব নদীর ওপর নির্মিত। নদীর তলদেশ থেকে সেতুটির উচ্চতা ৩৫৯ মিটার এবং এর দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৩১৫ মিটার। এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ রেল আর্চ ব্রিজ হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে, আঞ্জি খাড সেতু ভারতের প্রথম কেবল-স্টেড রেলসেতু।

কাটরা-বানিহাল অংশটি উধমপুর-শ্রীনগর-বারামুলা রেল সংযোগ প্রকল্পের (ইউএসবিআরএল) গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দুর্গম পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির মধ্য দিয়ে নির্মিত এই রেলপথে রয়েছে দীর্ঘ টানেল, গভীর উপত্যকা ও বড় বড় সেতু। প্রকল্পটির লক্ষ্য কাশ্মীর উপত্যকার সঙ্গে ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের সরাসরি রেল যোগাযোগ নিশ্চিত করা।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের আশা, গতিসীমা বাড়ানোর ফলে এই পথে ট্রেন চলাচল আরও মসৃণ হবে এবং যাত্রার সময় কমবে। একই সঙ্গে কাশ্মীর উপত্যকায় যাত্রী, পর্যটক ও তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ হবে।

এস এম/ ০৩ অক্টোবর ২০২৬

 

Scroll to Top